শীতের প্রভাব স্পষ্ট শ্যামনগর ও সংলগ্ন এলাকায়। মঙ্গলবার ভোর থেকে হালকা কুয়াশার চাদরে ঢাকা ছিল শহরের একাধিক অংশ। সকাল বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কুয়াশা কেটে রোদ উঠলেও বাতাসে শীতের কামড় অনুভূত হচ্ছে। দিনের তাপমাত্রা তুলনামূলকভাবে কম থাকায় শীতের আমেজ সারাদিনই বজায় ছিল।
শীত বাড়লেও দৈনন্দিন জনজীবনে তার বড় কোনও প্রভাব পড়েনি। সকাল থেকেই স্কুল, অফিস এবং বাজারঘাটে মানুষের স্বাভাবিক আনাগোনা লক্ষ্য করা গেছে। শ্যামনগর স্টেশন ও বাসস্ট্যান্ড এলাকায় যাত্রী চলাচল ছিল স্বাভাবিক, যদিও অনেককেই গরম পোশাকে নিজেকে মুড়ে রাখতে দেখা গেছে।
স্থানীয় ব্যবসায়ীদের মতে, শীত পড়ায় সকালের দিকে বাজারে ক্রেতার সংখ্যা কিছুটা কম থাকলেও বেলা গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে ভিড় বাড়ছে। শীতকালীন সবজি ও গরম খাবারের দোকানগুলিতে চাহিদা তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যাচ্ছে। চা, সিঙ্গাড়া ও জলখাবারের দোকানে সকাল থেকেই ভালো ভিড় ছিল।
আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী কয়েকদিন শ্যামনগর ও উত্তর ২৪ পরগণায় শীতের এই প্রবণতা বজায় থাকবে। ভোর ও রাতের দিকে কুয়াশা বাড়তে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে। ফলে বিশেষ করে সকালবেলায় যানবাহন চালানোর ক্ষেত্রে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিচ্ছেন অভিজ্ঞরা।

